আলাস্কাতে ট্রাম্প-পুতিনের বৈঠকের পরেও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আরও তীব্র হয়েছে। ট্রাম্পের কূটনীতি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। ইউক্রেনের ওপর ক্রমাগত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধবিরতির আশা এখনও পূরণ হয়নি।
রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ: আমেরিকার রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের আন্তর্জাতিক কূটনীতি এখন বিতর্কের মুখে। তিনি আলাস্কাতে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দেখা করে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য যুদ্ধবিরতি (Ceasefire) কার্যকর করার দিকে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি করেছিলেন। কিন্তু ১৫ আগস্ট ২০২৫-এর এই সাক্ষাতের পরেও যুদ্ধে কোনও ठोस পরিবর্তন আসেনি এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।
ট্রাম্প পূর্বে বলেছিলেন যে তাঁর উদ্দেশ্য হল রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘটানো এবং যদি রাশিয়া তা না মানে তবে তাকে গুরুতর পরিণতি ভোগ করতে হবে। কিন্তু পুতিন এই সাক্ষাতের পর কোনো ধরনের মনোভাব পরিবর্তন করেননি এবং যুদ্ধে আরও বৃদ্ধি হয়েছে।
আলাস্কাতে বৈঠক
আলাস্কার এই সাক্ষাৎ আন্তর্জাতিক স্তরে একটি বড় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হয়েছিল। ট্রাম্প ও পুতিনের বৈঠককে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে "নতুন মোড়" হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল। ট্রাম্প বলেছিলেন যে অনেক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং এই বৈঠকটি খুব ফলপ্রসূ ছিল।
তবে বাস্তবতা এর থেকে ভিন্ন ছিল। সাক্ষাতের পরের দিন, ১৬ আগস্ট, রাশিয়া ইউক্রেনের ওপর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তীব্র করে। ইউক্রেনের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম অনেক হামলা প্রতিহত করলেও, কিছু হামলা সফল হয় এবং এতে নাগরিক ও পরিকাঠামোর ক্ষতি হয়।
রাশিয়া বড় হামলা চালিয়েছে
১৫ আগস্টের সাক্ষাতের পর রাশিয়া-ইউক্রেনThe conflict has seen continuous escalation. On August 20 and 21, Russia launched its third-largest attacks. These attacks involved over 500 drones and 40 missiles.
২৮ আগস্ট ২০২৫-এ রাশিয়া কিয়েভে হামলা চালায়। এতে ৬২৯টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়। হামলায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভবনও প্রভাবিত হয়। ইউক্রেনও পাল্টা হামলা চালায়, যার ফলে সংঘাত আরও গভীর হয়।
ট্রাম্পের কূটনীতি শুধুমাত্র বিবৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ
ট্রাম্প সাক্ষাতের পর বলেছিলেন যে এখনও কোনো নির্দিষ্ট যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানো যায়নি, তবে অনেক বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে বড় যুদ্ধ বন্ধ করা শুধুমাত্র ট্রাম্পের মতো নেতার বিবৃতির মাধ্যমে সম্ভব নয়। রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে গভীর কৌশলগত এবং রাজনৈতিক স্বার্থ রয়েছে, যা কেবল বক্তব্য দ্বারা প্রভাবিত হয় না।
পূর্বে ট্রাম্প "অপারেশন সিন্দুর" চলাকালীন ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি করানোর দাবি করেছিলেন। কিন্তু এখন রাশিয়া-ইউক্রেনেও একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে।