জম্মু ও কাশ্মীরে অবিরাম বৃষ্টিতে মৃত্যু ও ধ্বংসলীলা, মৃতের সংখ্যা ৫৪

জম্মু ও কাশ্মীরে অবিরাম বৃষ্টিতে মৃত্যু ও ধ্বংসলীলা, মৃতের সংখ্যা ৫৪

জম্মু ও কাশ্মীরে অবিরাম ভারী বৃষ্টি এবং মেঘ ফেটে ধ্বংসলীলা চলেছে। রামবন, রিয়াসি এবং অন্যান্য জেলাগুলিতে বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন এবং প্রশাসন ত্রাণ ও উদ্ধারকার্যে ব্যস্ত। পরিস্থিতি ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

জম্মু ও কাশ্মীর: সোমবার থেকে এখন পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, যেখানে অনেকে এখনও নিখোঁজ। রামবনের রাজগড়ে মেঘ ফেটে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং বাড়িঘর ভেসে গেছে, অন্যদিকে রিয়াসির মহরায় ভূমিধসের কারণে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রশাসন এবং এনডিআরএফ দলগুলি ত্রাণকার্যে নিয়োজিত রয়েছে এবং প্রভাবিত পরিবারগুলিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

জম্মু ও কাশ্মীরে বৃষ্টি ও মেঘ ফেটে ধ্বংসলীলা

জম্মু ও কাশ্মীরে অবিরাম ভারী বৃষ্টি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ ধ্বংসলীলা ঘটিয়েছে। রামবনের রাজগড় অঞ্চলে মেঘ ফেটে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং অনেক বাড়ি বন্যায় ভেসে গেছে। অন্যদিকে রিয়াসির মহরায় ভূমিধসের কারণে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে এবং অনেকে এখনও নিখোঁজ। আকস্মিক বন্যা এবং ধ্বংসস্তূপ পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান চলছে

প্রশাসন এবং এনডিআরএফ দলগুলি অবিলম্বে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। প্রভাবিত পরিবারগুলিকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং ত্রাণ শিবির স্থাপন করা হয়েছে। কর্মকর্তারা ক্রমাগত পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন এবং নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন জনগণকে সতর্ক থাকতে আবেদন জানিয়েছে। ভারী বৃষ্টিতে নদী-নালাগুলির জলস্তর দ্রুত বাড়ছে, যার ফলে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। অনেক গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাও बुरीভাবে প্রভাবিত হয়েছে।

সোমবার থেকে এখন পর্যন্ত ৫৪ জনের মৃত্যু

জম্মু ও কাশ্মীরে সোমবার থেকে এখন পর্যন্ত বৃষ্টি ও মেঘ ফাটার ঘটনায় ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে কটরতে সর্বোচ্চ ৩৪, রিয়াসিতে ৭, রামবনে ৩, জম্মুতে সেনাবাহিনী ও বিএসএফের দুই জওয়ান সহ ৫, ডোডা ৪ এবং কঠুয়ায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এটি প্রথম ঘটনা নয়। ১৪ আগস্ট কিশ্তওয়ারেও মেঘ ফেটে প্রায় ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। বারবার এই ঘটনাগুলি পুরো রাজ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছে।

Leave a comment