পাটনায় বিজেপি-কংগ্রেস সংঘর্ষ: মোদীকে নিয়ে মন্তব্যের প্রতিবাদে উত্তাল সাদাকত আশ্রম

পাটনায় বিজেপি-কংগ্রেস সংঘর্ষ: মোদীকে নিয়ে মন্তব্যের প্রতিবাদে উত্তাল সাদাকত আশ্রম

पटनाয় বিজেপি ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে নিয়ে আপত্তিকর শব্দের প্রতিবাদ জানাতে বিজেপি কর্মীরা কংগ্রেস অফিসে ঢোকার চেষ্টা করলে লাঠি ও ইট দিয়ে মারধর হয়, অনেকে আহত হন।

पटना: রাজধানী পাটনার সাদাকত আশ্রম এলাকায় শুক্রবার (২৯ আগস্ট, ২০২৫) বিজেপি ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ এতই হিংসাত্মক ছিল যে উভয় পক্ষের কর্মীরা লাঠি, ইট, পাথর ব্যবহার করে। এই ঘটনা ঘটে কংগ্রেস অফিসের সামনে, যখন বিজেপি কর্মীরা কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে এসেছিলেন।

বিজেপি কর্মীরা প্রধানমন্ত্রী মোদীকে নিয়ে কথিত আপত্তিকর শব্দের জন্য ক্ষুব্ধ ছিলেন এবং তারা কংগ্রেস অফিসের বাইরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভকারীদের হাতে প্ল্যাকার্ড ছিল, যেখানে "মায়ের অপমান, কংগ্রেসের পরিচয়", "মা-এর অপমান বিহার সহ্য করবে না" এর মতো স্লোগান লেখা ছিল।

বিজেপি ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ

বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভের সময় কংগ্রেস অফিসে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন। এতে কংগ্রেস কর্মীরা প্রতিবাদ জানান, যার ফলে ঘটনাস্থলে মারধর ও পাথর ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। ভিড়ের মধ্যে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে, কিন্তু সংঘর্ষের সময় হিংসাত্মক পরিবেশের কারণে নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করা চ্যালেঞ্জিং ছিল। কিছু আহত কর্মীকে চিকিৎসার জন্য কুর্জি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিজেপি প্রধানমন্ত্রী মোদীর অপমানের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

বিজেপি কর্মীদের এই বিক্ষোভ ওই দিন সকালে কুর্জি হাসপাতাল থেকে সাদাকত আশ্রম পর্যন্ত আয়োজিত করা হয়েছিল। এতে বিজেপি-র বর্ষীয়ান নেতা সঞ্জয় সরাবগী এবং নীতিন নবীনও উপস্থিত ছিলেন। বিক্ষোভের মূল কারণ হিসেবে কংগ্রেস মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী-র বিরুদ্ধে কথিত আপত্তিকর শব্দের ব্যবহারকে দায়ী করা হয়েছে।

কংগ্রেস ও বিজেপি উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধর ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ তুলেছে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে ঘটনাস্থলে ল' অ্যান্ড অর্ডার ডিএসপি-ও পৌঁছান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।

পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

পুলিশ ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। ডিএসপি এবং স্থানীয় থানার দল উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করে। প্রশাসন জনগণকে ঘটনাস্থলে না আসার এবং কোনো সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার আবেদন করেছে।

পরবর্তী তদন্তে দেখা হবে সংঘর্ষে কারা কারা জড়িত ছিল এবং কাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a comment