শিল্প ও সীমান্ত উন্নয়নে মুখ্যমন্ত্রীর দুই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব অনুমোদন

শিল্প ও সীমান্ত উন্নয়নে মুখ্যমন্ত্রীর দুই গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব অনুমোদন

রাজ্যের শিল্প ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি বাড়ানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী দুজন গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবকে অনুমোদন দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী কোটা ও জয়সলমীর জেলাগুলিতে জমি বরাদ্দের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্যে কর্মসংস্থান, পরিকাঠামো ও সীমান্ত এলাকার উন্নয়নে নতুন দিক উন্মোচন করেছেন।

জয়পুর: রাজ্যের শিল্প ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি জমি বরাদ্দের দুটি প্রস্তাবকে অনুমোদন দিয়েছেন। এর আওতায় কোটা জেলায় নতুন শিল্পের জন্য জমি বরাদ্দ করা হবে। একই সঙ্গে, জয়সলমীর সীমান্ত জেলায় ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে সড়ক নির্মাণের জন্যও সরকারি জমি বরাদ্দের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

কোটাতে শিল্পের জন্য জমি বরাদ্দ

একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী কোটা জেলাকে একটি বড় উপহার দিয়েছেন। এর আওতায় কোটার কানওয়াস তহসিলের ধোটি গ্রামে অ-দূষণকারী শিল্প ইউনিট স্থাপনের জন্য মোট ২২.৭৮ হেক্টর জমি বরাদ্দের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই জমিটি রাজস্থান রাজ্য শিল্প উন্নয়ন ও বিনিয়োগ কর্পোরেশন লিমিটেড (RIICO)-কে বরাদ্দ করা হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে কোটা জেলায় শিল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়নে নতুন গতি আসবে। স্থানীয় স্তরে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে কোটা জেলায় এই জমি বরাদ্দ কেবল শিল্পপতিদেরই সুবিধা দেবে না, বরং রাজ্যের শিল্পনীতিকেও শক্তিশালী করবে।

জয়সলমীরে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের কাছে সড়ক নির্মাণ

মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা জয়সলমীর জেলার সীমান্ত এলাকায় সড়ক নির্মাণের জন্য ১০১.৯৭ হেক্টর সরকারি জমি বরাদ্দেরও অনুমোদন দিয়েছেন। এই প্রস্তাবটি কেন্দ্রীয় গণপূর্ত বিভাগের চাহিদা এবং সংশ্লিষ্ট জেলা কালেক্টরের অ্যালাইনমেন্ট প্রস্তাবের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছিল। এই জমিটি ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের সমান্তরালে কৌশলগত সড়ক নির্মাণের জন্য ব্যবহার করা হবে।

এটি কেবল সীমান্ত এলাকার কৌশলগত সুরক্ষা জোরদার করবে না, বরং এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেও বল দেবে। স্থানীয়দের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং এই সড়কগুলি নির্মাণের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হবে। মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা মনে করেন যে শিল্প উন্নয়ন এবং সীমান্ত এলাকার উন্নতি রাজ্যের সামগ্রিক অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য।

তিনি বলেন যে কোটাতে শিল্পের জন্য জমি বরাদ্দ কেবল কর্মসংস্থানের সুযোগই বাড়াবে না, বরং স্থানীয় ব্যবসা ও বিনিয়োগকেও উৎসাহিত করবে। অন্যদিকে, জয়সলমীরে সীমান্ত এলাকার সড়ক নির্মাণ নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে।

Leave a comment