মনোজ জারাঙ্গে মারাঠা आरक्षण আন্দোলনের অংশ হিসেবে মুম্বাইতে পৌঁছেছেন। ১০% आरक्षण এবং কুনবি স্বীকৃতির দাবিতে আজাদ ময়দানে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করবেন। ১৫০০-র বেশি পুলিশ মোতায়েন, সরকারের উপর চাপ বৃদ্ধি।
মুম্বাই: মারাঠা आरक्षण আন্দোলনের কর্মী মনোজ জারাঙ্গে শুক্রবার সকালে মুম্বাইয়ের আজাদ ময়দানে পৌঁছেছেন। তিনি গত কয়েক মাস ধরে বিক্ষোভ ও ধর্মঘট চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর আন্দোলনে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নিচ্ছেন এবং তাঁদের দাবি হলো মারাঠা সম্প্রদায়কে आरक्षण দিতে হবে। মুম্বাই পৌঁছানোর পর তাঁর সমর্থকরা ওয়াশিতে তাঁকে বিপুল সংবর্ধনা জানান।
জারাঙ্গে শত শত গাড়ির কনভয় সহ মুম্বাইতে পৌঁছেছেন। তাঁর হাজার হাজার সমর্থক ইতিমধ্যেই শহরে উপস্থিত ছিলেন। আন্দোলনের আগে পুলিশ সুরক্ষার জন্য ব্যাপক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
अंतरवाली सराटी থেকে শুরু যাত্রা
মনোজ জারাঙ্গে বুধবার জালনা জেলার তাঁর গ্রাম अंतरवाली सराটি থেকে এই যাত্রা শুরু করেছিলেন। গ্রাম থেকে মুম্বাইয়ের দূরত্ব প্রায় ৪০০ কিলোমিটার। তাঁর উদ্দেশ্য হল শান্তিপূর্ণ অনশনের মাধ্যমে সরকারকে মারাঠা आरक्षणের দাবি সম্পর্কে অবগত করানো।
সমর্থকরা তাঁর সঙ্গে মিছিল এবং অনশনে যোগ দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই মুম্বাইতে পৌঁছে গেছেন। তাঁদের আন্দোলন সুসংগঠিত এবং শান্তিপূর্ণভাবে হচ্ছে।
মারাঠা সম্প্রদায়ের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের দাবি
মনোজ জারাঙ্গে মারাঠা সম্প্রদায়ের জন্য অন্য पिछड़ा वर्ग (OBC) এর অধীনে ১০ শতাংশ সংরক্ষণের দাবি করছেন। তিনি বলেছেন যে এই आरक्षण সরকারি চাকরি এবং শিক্ষায় সম্প্রদায়ের জন্য সুযোগ বৃদ্ধি করবে।
জারাঙ্গে স্পষ্ট করেছেন যে তাঁর আন্দোলনে কোনো হিংসা হবে না এবং গণেশ উৎসবে কোনো প্রকার ব্যাঘাত ঘটানো হবে না। তিনি সমর্থকদের কাছে অনুরোধ করেছেন যে প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণভাবে করা হোক।
সমস্ত মারাঠাদের কুনবি হিসাবে স্বীকৃতি
জারাঙ্গের আরেকটি প্রধান দাবি হলো সমস্ত মারাঠাদের কুনবি হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া। কুনবি একটি কৃষি-প্রধান সম্প্রদায় এবং ওবিসি শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত হলে মারাঠারা সরকারি চাকরি এবং শিক্ষায় সংরক্ষণের সুবিধা পাবে। এই দাবি মারাঠা সম্প্রদায়ের অধিকার এবং সুযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জারাঙ্গের বিশ্বাস যে এই স্বীকৃতির মাধ্যমে সম্প্রদায়ের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।
শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি
জালনা পুলিশ জারাঙ্গে এবং তাঁর সমর্থকদের ৪০টি শর্তে মিছিলের অনুমতি দিয়েছিল। এই শর্তগুলির মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, যান চলাচলে বাধা না দেওয়া এবং আপত্তিকর স্লোগান না দেওয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মুম্বাই পুলিশও জারাঙ্গেকে ২৯শে আগস্ট সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আজাদ ময়দানে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি দিয়েছে। এই বিক্ষোভ সম্পূর্ণভাবে আইনের আওতায় থাকবে এবং কোনো প্রকার হিংসার অনুমতি দেওয়া হবে না।
মাত্র পাঁচটি গাড়ি এবং সীমিত সংখ্যক সমর্থক
পুলিশ আরও স্পষ্ট করেছে যে আজাদ ময়দানে মাত্র পাঁচটি গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে। এছাড়াও, বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা ৫,০০০ এর বেশি হওয়া উচিত নয়। সন্ধ্যা ৬টার পর সকল বিক্ষোভকারীদের ময়দান ত্যাগ করতে হবে।
১৫০০-র বেশি পুলিশকর্মীর মোতায়েন
মনোজ জারাঙ্গের আন্দোলনকে বিবেচনা করে মুম্বাই পুলিশ আজাদ ময়দানে ১৫০০-র বেশি जवान মোতায়েন করেছে। সুরক্ষার জন্য কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রেলওয়ে পুলিশও ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ টার্মিনাসে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। মহারাষ্ট্রের দূরবর্তী অঞ্চল থেকে অনেক সমর্থক ট্রেনের মাধ্যমে মুম্বাইতে আসছেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে যে আন্দোলন শান্তিপূর্ণ এবং সুশৃঙ্খলভাবে হোক।
পুলিশ এবং প্রশাসনের দিক-নির্দেশ
পুলিশ জারাঙ্গে এবং তাঁর সমর্থকদের স্পষ্ট করেছে যে আন্দোলনের সময় কোনো ধরনের হিংসা বা বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না। প্রশাসন আরও বলেছে যে সড়ক যান চলাচলে বাধা দেওয়া উচিত নয় এবং সকল বিক্ষোভকারীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ময়দান ত্যাগ করতে হবে।