হাথরসের সহপऊ-তে শুক্রবার সন্ধ্যায় দুই বছরের ছোট্ট মুরাদ জল ভর্তি বালতিতে পড়ে ডুবে মারা গেছে। একমাত্র ছেলের মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার সময় মা শহরবানো বাড়িতে ছিলেন এবং বাবা সানু মজুরি করতে বাইরে ছিলেন। মুরাদকে তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাথরস শিশু দুর্ঘটনা: উত্তর প্রদেশের হাথরসের সহপऊ-তে শুক্রবার সন্ধ্যায় দুই বছরের ছোট্ট মুরাদ খেলতে খেলতে জল ভর্তি বালতিতে পড়ে ডুবে মারা গেছে। দুর্ঘটনার সময় তার বাবা-মা ভিন্ন স্থানে ছিলেন; মা শহরবানো বাড়িতে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন এবং বাবা সানু উত্তরাখণ্ডে মজুরি করছিলেন। মুরাদকে তাৎক্ষণিকভাবে সিএইচসি-তে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা পরিবার ও পাড়ায় ব্যাপক ক্ষোভ ও শোকের কারণ হয়েছে।
বালতিতে পড়ে দুই বছরের মুরাদের মৃত্যু
উত্তর প্রদেশের হাথরসের সহপऊ-তে শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে দুই বছরের ছোট্ট মুরাদ জল ভর্তি বালতিতে পড়ে ডুবে মারা গেছে। বাড়ির একমাত্র ছেলের মৃত্যুতে পরিবারে দুঃখের পাহাড় ভেঙে পড়েছে। মুরাদকে তাৎক্ষণিকভাবে সিএইচসি-তে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় শিশুটির মা শহরবানো বাড়িতে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন, অন্যদিকে বাবা সানু উত্তরাখণ্ডে মজুরি করছিলেন।
পরিবার আগে দুই সন্তানকে হারিয়েছে
শহরবানো এবং তার পরিবার আগে দুই সন্তানকে হারিয়েছে। প্রথম ছেলে জন্মের পরপরই এবং দ্বিতীয়টি মাত্র তিন মাস বেঁচে ছিল। এখন মুরাদের মৃত্যু শহরবানোর কোল চিরতরে শূন্য করে দিয়েছে। এই দুর্ঘটনা পুরো পরিবারকে স্তব্ধ করে দিয়েছে এবং পাড়াতেও শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
দুর্ঘটনার দৃশ্য এবং তাৎক্ষণিক উদ্ধার প্রচেষ্টা
ঘটনার সময় শহরবানোর ভাইঝি সোনা বাড়িতে এসে মুরাদকে বালতিতে পড়ে থাকতে দেখে। তার চিৎকারে পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং শিশুটিকে জল থেকে বের করেন। তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। পরিবারের সদস্যরা জানান যে মুরাদ দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিল এবং তার চিকিৎসায় তারা লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করেছিল, তবুও কেউ ভাবতে পারেনি যে মুরাদও তাদের ছেড়ে চলে যাবে।